Ten Photos, Ten Stories: Munem Wasif on GMB Akash

20 Flares Twitter 4 Facebook 16 20 Flares ×

by Naeem Mohaiemen

© GMB Akash. All rights reserved. Photo from Akash’s website: http://www.gmb-akash.com/view_gallery_photos.php?album_id=29

Ten Photographs, Ten Stories[Translated from Bengali by Naeem Mohaiemen]

By then, the inevitable happened. First Shahidul, then Shehzad, Abir, Kiron– one after another, a daring piece of work. All hard core black-and-white, capturing a humane moment. Akash also started out in this mode. There was a unique caring in his photographs. A forgetful rider on an exhausted horse at the beach. Or, an intimate scene of Akash’s mother bathing his grandfather. These early black and white photographs carry the shadows of that established style. In any case, there was tremendous pressure on the younger photographers. Difficult to stand with your head held high. Not easy to brush off the weight of that established structure. If there is no new language, new stories cannot be told. Then even breathing became difficult.

But for some reason Akash was not finding his voice. The images are good, light-composition, everything is in place. But even the good photographs were blending into one, somewhat bland. His blood was hot, his camera hand was itching. It did not take too long to break the rules. Color photographs, wide lense, sexy subject– combining all these, Akash crossed the boundaries, broke the old empire. This was a completely different taste. The established politeness of photography ran out the door. Joop Swart masterclass, Time magazine assignment. Bang, bang, bang– Akash was a superstar.

This photograph is from the time before stardom. Akash was still searching for himself. What should he photograph? Gay men live in Narayanganj. Akash’s own town. Shahjahan is lightly kissing his client. Bodies astray, men kissing men. Was the kiss real? A nearby man is staring at the camera! The pleasure of this photograph increases by another two levels. Were there conversations before snapping the image? Is the whole thing staged? I do not think so. It does not matter anyway. Garish colors, crazy fashion, a tilted frame, bounce flash, distorted shape. A barely controlled excitement. Every gesture has a reckless vibration. There is no comfort in these images. Rather, it aggravates you. Your curious eyes want to know, what is there? The smell is different.

I look at the photographs even more carefully. Dancing, singing, sexuality, adoration, love– it is all so strange. Man or woman, dancer or prostitute? Many questions. Local people call them “kothi.” A family of nine between four walls– many characters. They all seem very strange– the photographs make them even more the “other.” Are photographers then some type of “specialized tourists”? We go to many different places and take such strange photographs– it all seems unfamiliar. That is when I remember Dayanita Singh and Mona Ahmed. As we look at her photographs, Mona is no longer a transvestite. Here the human relationship is more important than the photography. Dayanita and Mona became friends. A relationship of 13 years.

Meanhile Akash transforms from a photographer to professional magazine photographer. Very specifically defined. Geographies outside this country’s borders become his space of circulation. At the same time, that reckless mood of his photographs starts fading away. It is an oppositional relationship. His pictures become polite, restrained, beautiful in their construction. Akash keeps making work, here there everywhere– the clients are mainly western magazines. The sweat of child laborers, the brothel of Daulatdiya, a farmer drowning in floods, indigenous peoples, a corpse cut up by a train, drug addicted youth, shipbreakers, a chain-shackled madrassa student. Demand versus supply. One portrait, one wide shot, some detail, some relationships– a social story in 12 images.

Akash won. But did we lose something special in the process?

Munem Wasif on GMB Akash [Kamra Volume 2]

[কামরা খণ্ড ]

দশটি ছবিদশটি গল্প জি এম বি আকাশের একটি ছবি নিয়ে লিখেছে মুনেম ওয়াসিফ

তত দিনে যা হবার তাই হয়ে গেছে। প্রথমে শহিদুল তারপর শেহজাদ, আবির, কিরন- একের পর এক দুর্ধর্ষ কাজ। সব হার্ড কোর ব্ল্যাক অ্যান্ড ও্য়াইট আর  মানবিক মুহূর্তের ছবি। আকাশও শুরু করেছিলেন সেই ঘরানাতেই। অদ্ভুত মায়াও ছিল ছবিগুলির মধ্যে। সমুদ্র পারে উদাসী চালক আর ক্লান্ত ঘোড়া অথবা আকশের মায়ের তার দাদাকে স্নান করানোর দৃশ্য, আন্তরিক।  প্রথম দিকের সাদাকালো কাজে আমরা সেই পুরানো ছবির ছায়াই দেখতে পাই। নতুন ফটোগ্রাফারদের উপর অনেক চাপ। ঘাড় সোজা করে দাঁড়ানো কঠিন। পুরানো কাঠামো ঝেড়ে ফেলা সহজ নয়। নতুন ভাষা না হলে নতুন গল্পও বলা যাচ্ছে না। নিঃশ্বাস নেওয়াটাই যেন কঠিন।

ছবিগুলো ভাল, লাইট-কম্পোজিশন সবকিছুই ঠিক ঠাক। কিন্তু কেন জানি আকাশের ঠিক জমছিল না। ভাল ছবিগুলোও যেন একরকম হয়ে উঠছিল- কিঞ্চিত পানসে। টগবগে রক্ত, নিশপিশে হাত। খুব একটা দেরি হল না তার ভাঙতে। রঙ্গিন ছবি,ওয়াইড লেন্স, সেক্সি বিষয়-সব মিলিয়ে ভেঙ্গে ফেললেন পুরানো সাম্রাজ্য। এক  অন্য ধক। ছবির ভদ্রতা যেন দরজা দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেল। জুপ সোয়ার্ট মাস্টার-ক্লাস, টাইম ম্যাগাজিনের অ্যাসাইনমেন্ট। ব্যাং,ব্যাং, ব্যাং- আকাশ সুপারস্টার।

ইহা স্টার হওয়ার আগের কাহিনী। আকাশ তখনও নিজেকে খুঁজছেন। কি তুলবেন? সমকামীদের ছবি-স্থান নারায়ণগঞ্জ। আকাশের নিজের শহর। শাহজাহান তার খদ্দের কে আলতো করে চুমু খাচ্ছেন! এলিয়ে যাওয়া শরীর, পুরুষে পুরুষে চুমু। চুমু টাকি আসল ? পাশের লোকটা আবার ফটোগ্রাফারের দিকে চেয়ে আছেন! ছবিটার মজা আরও দুই ধাপ বেড়ে গেল। ছবি তোলার আগে কি কথা হয়েছিলো? পুরাটাই কি সাজানো? না মনে হয়। কিছুই যায়ে আসে না। তীব্র রং, উৎকটে ফ্যাশন, তেসরা ফ্রেম, বাউন্স ফ্ল্যাশ, কৌণিক আকার। চাপা উত্তেজনা। পুরো ভঙ্গিমাটাই কেমন জানি বেপরোয়া। ঠিক যেন স্বস্থি দেয় না। বরং উশকে দেয়। কৌতূহলী চোখ দেখতে চায়, কি ওখানে? গন্ধটা একটু অন্যরকম।

ছবিগুলো আরও মনোযোগ দিয়ে দেখি। নাচ, গান, যৌনতা, ভক্তি, প্রেম-কেমন জানি? পুরুষ না নারী, নাচনেওয়ালী নাকি বেশ্যা? অনেকগুলো প্রশ্ন। স্থানীয় লোক এদেরকে ‘কোতি’ বলে। চারকোনা দেয়াল, নয়জনের পরিবার-নানান চরিত্র। মানুষগুলিকে দেখলে অদ্ভুত মনে হয়, যেন ছবিতে তারা আরও ‘অপর’ হয়ে উঠে। ফটোগ্রাফাররা কি আসলেই ‘স্পেশালাইযড ট্যুরিস্ট’? নানান জায়গায় যান আর এমন সব কিম্ভুত কিমাকার মুহূর্ত তুলে নিয়ে আসেন- অপরিচিত ঠেকে। ঠিক তখনই দয়নিতা সিং এর মোনা আহমেদ এর কথা মনে পড়ে। ছবি দেখতে দেখতে মোনা আহমেদ আমাদের সামনে আর হিজরা থাকেন না। এখানে ফটোগ্রাফি বিষয় না, সম্পর্কটাই মুখ্য। দয়নিতা আর মোনা বন্ধু হয়ে উঠেন।১৩ বছরের সম্পর্ক।

এদিকে আকাশ নিছক ফটোগ্রাফার থেকে পেশাদার ম্যাগাজিন ফটোগ্রাফার হয়ে উঠেন। বিশেষভাবে নির্দিষ্ট। দেশের সীমানা পেরিয়ে বৈদেশিক ভূগোল হয় তার বিচরণ ক্ষেত্র। অন্যদিকে আস্তে আস্তে তার কাজের বেপরোয়া ভাব ম্রিয়মাণ হতে থাকে। বৈপরীত্যের সম্পর্ক। ছবি হয়ে উঠে নির্মাণে আরও ভদ্র, পরিমিত ও শোভন। আকাশ ক্রমাগত কাজ নামিয়ে যান, এখান থেকে ওখানে- খদ্দর মুলূত পশ্চিমা ম্যাগাজিন। শিশু শ্রমিকের ঘাম, দৌলতদিয়ার পতিতালয়, বন্যায় ডুবন্ত কৃষক, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, ট্রেনে কাটা লাশ, নেশাখোর যুবক, জাহাজ-ভাঙ্গার শ্রমিক, মাদ্রাসায় শিকল পড়া ছাত্র। চাহিদা বনাম জোগান। একটা পোরট্রেট, একটা ওয়াইড শট, একটু ডিটেল, কিছু সম্পর্কের ছবি- ১২টি ছবির সামাজিক গল্প।

আকাশ সফল। আমরা কি বিশেষ কিছু হারালাম?

Kamra

Be Sociable, Share!
Show
Follow us on Twitter
20 Flares Twitter 4 Facebook 16 20 Flares ×
**********
This entry was posted in Arts, Bangladesh, culture, Drik and its initiatives, Pathshala, Photography, Photojournalism, South Asia and tagged , , , , , , , , . Bookmark the permalink.

Why don't you leave a reply?