Drik’s 23rd anniversary on Bonik Barta

0 Flares Twitter 0 Facebook 0 0 Flares ×

শুধু মুহূর্ত ধারণ করলেই ছবি হয় না— এমন বোধের তীব্রতা নিয়ে দৃকের যাত্রা। ১৯৮৯ সাল থেকে আজকের দিন পর্যন্ত আলোকচিত্র নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক চর্চায় সক্রিয় প্রতিষ্ঠানটি। দৃকের হাত ধরেই বিশ্ব আলোকচিত্রে স্বকীয় পরিচিতি পেয়েছে বাংলাদেশ। মহীরুহসম এ প্রতিষ্ঠানটির ২৩ বছর পূর্তি উদযাপন হচ্ছে আজ। দৃক প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমের সঙ্গে কথা বলেছেন রুহিনা ফেরদৌস

২৩ বছরের পথচলায় অর্জন কী?
বাংলাদেশের আলোকচিত্রীদের জন্য একটা মঞ্চ দাঁড় করাতে চেষ্টা করেছিলাম। আলোকচিত্রীদের কাজের মান বাড়ানো ও সুযোগ তৈরি করে দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই আমরা কিছু জায়গায় সার্থক হয়েছি। তবে বিশ্ব গণমাধ্যমে যেভাবে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করা হয়, তা উল্টে দেয়ার ক্ষেত্রে আমি মনে করি এখনো অনেক কাজ বাকি।
আগামী ২০ বছর পর দৃক কোথায় পৌঁছতে চায়?
প্রথমত. শহীদুল আলম ছাড়া দৃক চলবে আমি তা আশা করি। সেটা না হলে একটা বড় ব্যর্থতা হবে। এরপর চাই, আমাদের দেশে আলোকচিত্র আন্দোলন যে জায়গায় পৌঁছানো দরকার সে জায়গাটা তৈরির। দৃকের একটা আন্তর্জাতিক পরিচিতি আছে। কিন্তু বাংলাদেশের ভেতরে আলোকচিত্রের সে রকম সমাদর নেই। কাঠামোগতভাবে সরকারি দিক থেকে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিক থেকে, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে আলোকচিত্রের গুরুত্ব তৈরি হয়নি। ভবিষ্যতে এটা তৈরি হবে বলে আমি মনে করি।
এর সঙ্গে চাইব ছবি মেলার আয়োজন, মেজরিটি ওয়ার্ল্ডের মতো সংগঠন শক্তিশালী করতে। যে সংগঠন এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের আলোকচিত্রীদের কাজ আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরছে। চাই এটা ২০ বছরের মধ্যে একটা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হয়ে সারা পৃথিবীর আলোকচিত্রীদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ করে দেবে।
গণমাধ্যমে আলোকচিত্র সাম্প্রতিক সময়ে কী ধরনের প্রভাব রাখছে?
গণমাধ্যমে আলোকচিত্রের প্রভাব নিয়ে দ্বিমত পোষণের কোনো জায়গা নেই। মিডিয়ায় যেভাবে ছবির ব্যবহার এবং অপব্যবহার করা হয়, দুটিই আগের তুলনায় বেশি হচ্ছে। এর কিন্তু ভালো-খারাপ দুটি দিক রয়েছে। আলোকচিত্র শক্তিশালী একটি মাধ্যম। এর দ্বারা সত্য কথা যেমন বলা হয়, মিথ্যাও তেমন বলা হয়। এ সত্য-মিথ্যা শনাক্ত করতে হলে আলোকচিত্র সম্পর্কে যে জ্ঞান থাকা দরকার, এর ঘাটতি আমাদের আছে। একটা পত্রিকা আনাড়ি হাতের লেখা ছাপাতে চায় না। অথচ আনাড়ি মানুষের হাত দিয়ে ছবি বাছাই চলছে নিয়মিতই। এটা বদলাতে হবে।
আলোকচিত্র নিয়ে ব্যক্তি শহিদুল আলম কী স্বপ্ন দেখেন?
আমি মনে করি, একটা সময় আসবে যখন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম হিসেবে আপনারা আমাকে চিনবেন না। মানুষ শহিদুল আলম হিসেবে চিনবেন, যে মানুষটা আলোকচিত্র চর্চা করে। আমি আলোকচিত্রের মাধ্যমে লড়াই করি। লড়াইয়ের জন্য হাতিয়ার খুঁজে বেড়াই। এ মুহূর্তে আলোকচিত্রের মতো শক্তিশালী হাতিয়ার আর দেখছি না। তাই আমি একে ব্যবহার করি। একদিন যদি এ হাতিয়ার ভোতা হয়ে যায়, তবে আমি এটাকে বর্জন করব।

 

Be Sociable, Share!
Show
Follow us on Twitter
0 Flares Twitter 0 Facebook 0 0 Flares ×
**********
This entry was posted in Bangladesh, media, Shahidul Alam, South Asia and tagged , , , , , . Bookmark the permalink.

2 Responses to Drik’s 23rd anniversary on Bonik Barta

  1. Ruhina Ferdous says:

    Alam Bhai, Thank you very much.

  2. অনেক দিন পর দৃক সাইটে ঢুকলাম, বেশ কিছুদিন নিয়মিত ইমেইল না পেয়ে। ভালো লাগলো বাংলায় একটা লেখা দেখে। আমার নিজের অনেক কাজ করা বাকি, মনে পড়লো। দৃক সহকর্মীদের জন্য ভালো লাগা ও শুভেচ্ছা জানাই।

Why don't you leave a reply?